প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয় জনস্বাস্থ্য বিভাগের উদ্যোগে বাঁশখালীতে বন্যা-পরবর্তী ফ্রি হেলথ ক্যাম্প ও বিনামূল্যে ওষুধ বিতরণ
প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয় জনস্বাস্থ্য বিভাগের উদ্যোগে বাঁশখালীতে বন্যা-পরবর্তী ফ্রি হেলথ ক্যাম্প ও বিনামূল্যে ওষুধ বিতরণ
বন্যা-পরবর্তী সময়ে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে বাঁশখালীতে ফ্রি হেলথ ক্যাম্প, বিনামূল্যে ওষুধ এবং হাইজিন সামগ্রী বিতরণ করেছে প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয় জনস্বাস্থ্য বিভাগ।
বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট ২০২৬, বাঁশখালী উপজেলার সরল ইউনিয়নের মিনজিরীতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সাইক্লোন সেন্টারে সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত এ স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত স্থানীয় মানুষের জন্য আয়োজিত এ ক্যাম্পে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা, প্রয়োজনীয় ওষুধ ও হাইজিন সামগ্রী বিতরণ করা হয়। পাশাপাশি বন্যা-পরবর্তী বিভিন্ন স্বাস্থ্যঝুঁকি ও রোগ প্রতিরোধে স্থানীয়দের প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য পরামর্শ দেওয়া হয়।
প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর এস. এম. নসরুল কদীরের নির্দেশনা ও সার্বিক সহযোগিতায় এ কর্মসূচি বাস্তবায়িত হয়। কর্মসূচিতে সার্বিক সহযোগিতা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর ড. জাহেদ হোসেন সিকদার এবং রেজিস্ট্রার জনাব মোহাম্মদ ইফতেখার মনির।
প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের জনস্বাস্থ্য বিভাগের চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ জাহেদুল ইসলামের এবং অন্যান্য শিক্ষক-শিক্ষিকা ও ছাত্র-ছাত্রীদের ব্যবস্থাপনায় এ স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।
কর্মসূচিতে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করেন চট্টগ্রাম বিভাগের স্বাস্থ্য বিভাগের পরিচালক ডা. শেখ ফজলে রাব্বি, চট্টগ্রাম জেলার সিভিল সার্জন ডা. জাহাঙ্গীর আলম এবং বাঁশখালী পৌরসভার সাবেক মেয়র জনাব মো. কামরুল ইসলাম হোসাইন। এছাড়া সহযোগিতায় ছিল সিভিল সার্জন অফিস, চট্টগ্রাম এবং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, বাঁশখালী।
এ কর্মসূচিতে কো-স্পন্সর হিসেবে AIM Foundation এবং নূর হাফিজ প্রোপার্টিজ লি. সহযোগিতা করে।
বন্যার পর দুর্গত মানুষের স্বাস্থ্যঝুঁকি মোকাবিলা, রোগ প্রতিরোধ এবং স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়। চিকিৎসাসেবা ও ওষুধ প্রদানের পাশাপাশি স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা, বিশুদ্ধ পানি পান, পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং বন্যা-পরবর্তী রোগব্যাধি থেকে সুরক্ষার বিষয়ে স্থানীয়দের সচেতন করা হয়।
প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের জনস্বাস্থ্য বিভাগের এ উদ্যোগ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর পাশাপাশি বন্যা-পরবর্তী স্বাস্থ্যঝুঁকি মোকাবিলায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক দায়বদ্ধতার একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করেন।
Related News
প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয় ও Asperia Health Care Ltd.-এর মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর
প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয় জনস্বাস্থ্য বিভাগের উদ্যোগে বাঁশখালীতে বন্যা-পরবর্তী ফ্রি হেলথ ক্যাম্প ও বিনামূল্যে ওষুধ বিতরণ
Thursday, 13 August, 2026
প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয় জনস্বাস্থ্য বিভাগের উদ্যোগে বাঁশখালীতে বন্যা-পরবর্তী ফ্রি হেলথ ক্যাম্প ও বিনামূল্যে ওষুধ বিতরণ
বন্যা-পরবর্তী সময়ে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে বাঁশখালীতে ফ্রি হেলথ ক্যাম্প, বিনামূল্যে ওষুধ এবং হাইজিন সামগ্রী বিতরণ করেছে প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয় জনস্বাস্থ্য বিভাগ।
বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট ২০২৬, বাঁশখালী উপজেলার সরল ইউনিয়নের মিনজিরীতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সাইক্লোন সেন্টারে সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত এ স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত স্থানীয় মানুষের জন্য আয়োজিত এ ক্যাম্পে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা, প্রয়োজনীয় ওষুধ ও হাইজিন সামগ্রী বিতরণ করা হয়। পাশাপাশি বন্যা-পরবর্তী বিভিন্ন স্বাস্থ্যঝুঁকি ও রোগ প্রতিরোধে স্থানীয়দের প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য পরামর্শ দেওয়া হয়।
প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর এস. এম. নসরুল কদীরের নির্দেশনা ও সার্বিক সহযোগিতায় এ কর্মসূচি বাস্তবায়িত হয়। কর্মসূচিতে সার্বিক সহযোগিতা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর ড. জাহেদ হোসেন সিকদার এবং রেজিস্ট্রার জনাব মোহাম্মদ ইফতেখার মনির।
প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের জনস্বাস্থ্য বিভাগের চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ জাহেদুল ইসলামের এবং অন্যান্য শিক্ষক-শিক্ষিকা ও ছাত্র-ছাত্রীদের ব্যবস্থাপনায় এ স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।
কর্মসূচিতে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করেন চট্টগ্রাম বিভাগের স্বাস্থ্য বিভাগের পরিচালক ডা. শেখ ফজলে রাব্বি, চট্টগ্রাম জেলার সিভিল সার্জন ডা. জাহাঙ্গীর আলম এবং বাঁশখালী পৌরসভার সাবেক মেয়র জনাব মো. কামরুল ইসলাম হোসাইন। এছাড়া সহযোগিতায় ছিল সিভিল সার্জন অফিস, চট্টগ্রাম এবং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, বাঁশখালী।
এ কর্মসূচিতে কো-স্পন্সর হিসেবে AIM Foundation এবং নূর হাফিজ প্রোপার্টিজ লি. সহযোগিতা করে।
বন্যার পর দুর্গত মানুষের স্বাস্থ্যঝুঁকি মোকাবিলা, রোগ প্রতিরোধ এবং স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়। চিকিৎসাসেবা ও ওষুধ প্রদানের পাশাপাশি স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা, বিশুদ্ধ পানি পান, পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং বন্যা-পরবর্তী রোগব্যাধি থেকে সুরক্ষার বিষয়ে স্থানীয়দের সচেতন করা হয়।
প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের জনস্বাস্থ্য বিভাগের এ উদ্যোগ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর পাশাপাশি বন্যা-পরবর্তী স্বাস্থ্যঝুঁকি মোকাবিলায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক দায়বদ্ধতার একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করেন।