পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, দূষণ রোধ এবং সবুজায়ন বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটি, চট্টগ্রামে গাছের চারা বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট ২০২৬, সকাল ৯টায়, প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির জিইসি ক্যাম্পাসে এনজিও সংস্থা ‘ইপসা’ এ কর্মসূচির আয়োজন করে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির মাননীয় ট্রেজারার অধ্যাপক ড. জাহেদ হোছাইন সিকদার এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার জনাব মোহাম্মদ ইফতেখার মনির। অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অংশগ্রহণ করেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. জাহেদ হোছাইন সিকদার বলেন, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বৃক্ষের কোনো বিকল্প নেই। ক্রমবর্ধমান নগরায়ণ ও পরিবেশদূষণের কারণে সবুজায়ন আজ সময়ের গুরুত্বপূর্ণ দাবি। শুধু গাছ লাগালেই হবে না, লাগানো গাছের যথাযথ পরিচর্যা ও সংরক্ষণও নিশ্চিত করতে হবে। প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির পক্ষ থেকে পরিবেশবান্ধব বিভিন্ন উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে রেজিস্ট্রার জনাব মোহাম্মদ ইফতেখার মনির বলেন, পরিবেশ রক্ষার দায়িত্ব শুধু কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের নয়; এটি আমাদের সবার সম্মিলিত দায়িত্ব। প্রত্যেককে নিজ নিজ অবস্থান থেকে বৃক্ষরোপণ ও গাছের পরিচর্যায় এগিয়ে আসতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে গাছের চারা বিতরণের মাধ্যমে পরিবেশের প্রতি দায়িত্বশীলতা ও সচেতনতা আরও বৃদ্ধি পাবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
কর্মসূচিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা বিতরণ করা হয়। তাঁরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে চারা গ্রহণ করেন এবং গাছ লাগানো ও পরিচর্যার মাধ্যমে পরিবেশ সংরক্ষণে ভূমিকা রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, দূষণ কমানো এবং ক্যাম্পাস ও আশপাশের এলাকায় সবুজ পরিবেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে এ কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। একটি গাছ শুধু পরিবেশের সৌন্দর্যই বৃদ্ধি করে না, এটি বায়ু বিশুদ্ধকরণ, তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং জলবায়ুর বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
কর্মসূচিতে আরও বলা হয়, বর্তমান প্রজন্মের পাশাপাশি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি বাসযোগ্য ও সুন্দর পরিবেশ নিশ্চিত করতে নিয়মিত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পরিচালনা করা প্রয়োজন। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে পরিবেশ সচেতনতা সৃষ্টি হলে বৃক্ষরোপণ একটি সামাজিক আন্দোলনে পরিণত হতে পারে।
প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির এ উদ্যোগে সহযোগিতা করেছে ইপসা (ইয়ং পাওয়ার ইন সোশ্যাল অ্যাকশন)। সহযোগী প্রতিষ্ঠানের সহায়তায় আয়োজিত এ কর্মসূচির মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সদস্যদের পরিবেশ সংরক্ষণে সম্পৃক্ত করার পাশাপাশি বৃহত্তর পরিসরে সবুজায়নের বার্তা ছড়িয়ে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বৃক্ষ বিতরণ কর্মসূচির মধ্য দিয়ে প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটি পরিবেশ সংরক্ষণ ও সবুজায়নের প্রতি তাদের দায়বদ্ধতার বার্তা দিয়েছে। ভবিষ্যতেও পরিবেশ ও স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধিতে এ ধরনের জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে বলে আয়োজকরা জানান।
পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, দূষণ রোধ এবং সবুজায়ন বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটি, চট্টগ্রামে গাছের চারা বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট ২০২৬, সকাল ৯টায়, প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির জিইসি ক্যাম্পাসে এনজিও সংস্থা ‘ইপসা’ এ কর্মসূচির আয়োজন করে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির মাননীয় ট্রেজারার অধ্যাপক ড. জাহেদ হোছাইন সিকদার এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার জনাব মোহাম্মদ ইফতেখার মনির। অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অংশগ্রহণ করেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. জাহেদ হোছাইন সিকদার বলেন, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বৃক্ষের কোনো বিকল্প নেই। ক্রমবর্ধমান নগরায়ণ ও পরিবেশদূষণের কারণে সবুজায়ন আজ সময়ের গুরুত্বপূর্ণ দাবি। শুধু গাছ লাগালেই হবে না, লাগানো গাছের যথাযথ পরিচর্যা ও সংরক্ষণও নিশ্চিত করতে হবে। প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির পক্ষ থেকে পরিবেশবান্ধব বিভিন্ন উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে রেজিস্ট্রার জনাব মোহাম্মদ ইফতেখার মনির বলেন, পরিবেশ রক্ষার দায়িত্ব শুধু কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের নয়; এটি আমাদের সবার সম্মিলিত দায়িত্ব। প্রত্যেককে নিজ নিজ অবস্থান থেকে বৃক্ষরোপণ ও গাছের পরিচর্যায় এগিয়ে আসতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে গাছের চারা বিতরণের মাধ্যমে পরিবেশের প্রতি দায়িত্বশীলতা ও সচেতনতা আরও বৃদ্ধি পাবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
কর্মসূচিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা বিতরণ করা হয়। তাঁরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে চারা গ্রহণ করেন এবং গাছ লাগানো ও পরিচর্যার মাধ্যমে পরিবেশ সংরক্ষণে ভূমিকা রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, দূষণ কমানো এবং ক্যাম্পাস ও আশপাশের এলাকায় সবুজ পরিবেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে এ কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। একটি গাছ শুধু পরিবেশের সৌন্দর্যই বৃদ্ধি করে না, এটি বায়ু বিশুদ্ধকরণ, তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং জলবায়ুর বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
কর্মসূচিতে আরও বলা হয়, বর্তমান প্রজন্মের পাশাপাশি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি বাসযোগ্য ও সুন্দর পরিবেশ নিশ্চিত করতে নিয়মিত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পরিচালনা করা প্রয়োজন। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে পরিবেশ সচেতনতা সৃষ্টি হলে বৃক্ষরোপণ একটি সামাজিক আন্দোলনে পরিণত হতে পারে।
প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির এ উদ্যোগে সহযোগিতা করেছে ইপসা (ইয়ং পাওয়ার ইন সোশ্যাল অ্যাকশন)। সহযোগী প্রতিষ্ঠানের সহায়তায় আয়োজিত এ কর্মসূচির মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সদস্যদের পরিবেশ সংরক্ষণে সম্পৃক্ত করার পাশাপাশি বৃহত্তর পরিসরে সবুজায়নের বার্তা ছড়িয়ে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বৃক্ষ বিতরণ কর্মসূচির মধ্য দিয়ে প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটি পরিবেশ সংরক্ষণ ও সবুজায়নের প্রতি তাদের দায়বদ্ধতার বার্তা দিয়েছে। ভবিষ্যতেও পরিবেশ ও স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধিতে এ ধরনের জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে বলে আয়োজকরা জানান।