প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির আইন বিভাগের এলএলএম ৪২তম ব্যাচের ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত
প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির আইন বিভাগের এলএলএম ৪২তম ব্যাচের ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত
প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির হাজারী লেইনস্থ ভবনে আইন বিভাগের এলএলএম ৪২তম ব্যাচের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টায় আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক এস. এম. নছরুল কদির।
আইন বিভাগের চেয়ারম্যান সহযোগী অধ্যাপক অনুপ কুমার বিশ্বাসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন আইন অনুষদের অ্যাডজাঙ্কট ডিন প্রফেসর মোহাম্মদ মোরশেদ মাহমুদ খান এবং আইন অনুষদের সহকারী ডিন জনাব তানজিনা আলম চৌধুরী।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন আইন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের অভিযোগ কমিটির আহ্বায়ক ড. মেহের নিগার। এছাড়া বক্তব্য দেন আইন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক জনাব ফরিদ উদ্দিন আহমেদ। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন এলএলএম ৪২তম ব্যাচের পরামর্শক ও আইন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক জনাব হিল্লোল সাহা।
অনুষ্ঠানে আইন বিভাগের সম্মানিত শিক্ষকবৃন্দ এবং বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি (অনার্স) সম্পন্ন করে প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির এলএলএম প্রোগ্রামে ভর্তি হওয়া নবাগত শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক এস. এম. নছরুল কদির নবাগত শিক্ষার্থীদের প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটিতে স্বাগত ও অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, আইন বিভাগে অভিজ্ঞ, জ্ঞানসমৃদ্ধ ও প্রতিষ্ঠিত শিক্ষক এবং পেশাজীবীদের উপস্থিতি বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য গর্বের বিষয়। তাঁদের জ্ঞান, অভিজ্ঞতা ও অবদানের ফলে আইন বিভাগ একটি উচ্চ মর্যাদায় পৌঁছেছে।
উপাচার্য বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনের সময় আইন বিভাগের ভর্তি পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন ধরনের অনুরোধ ও চাপের মুখোমুখি হতে হয়। তবে শিক্ষার গুণগত মানের সঙ্গে কোনো আপস না করে মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে শিক্ষার্থী ভর্তি নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হয়। এ ক্ষেত্রে আইন বিভাগের শিক্ষকরা গুরুত্বপূর্ণ সহযোগিতা করে আসছেন।
বক্তব্যের শেষাংশে উপাচার্য ব্যবসায়িক কৌশলের উদাহরণ তুলে ধরে ব্যয়-সাশ্রয়ী নেতৃত্ব ও স্বাতন্ত্র্যকরণ কৌশলের বিষয়টি ব্যাখ্যা করেন। তিনি বলেন, সবাইকে সন্তুষ্ট করার চেষ্টা না করে নিজস্ব মান, গুণগত বৈশিষ্ট্য ও স্বাতন্ত্র্য তৈরি করে এগিয়ে যেতে হবে। শিক্ষার্থীদেরও নিজেদের দক্ষতা ও স্বাতন্ত্র্য বিকাশের মাধ্যমে ভবিষ্যৎ পেশাগত জীবনে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
Related News
প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির আইন বিভাগের এলএলএম ৪২তম ব্যাচের ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত
প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির আইন বিভাগের এলএলএম ৪২তম ব্যাচের ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত
Saturday, 26 September, 2026
প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির আইন বিভাগের এলএলএম ৪২তম ব্যাচের ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত
প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির হাজারী লেইনস্থ ভবনে আইন বিভাগের এলএলএম ৪২তম ব্যাচের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টায় আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক এস. এম. নছরুল কদির।
আইন বিভাগের চেয়ারম্যান সহযোগী অধ্যাপক অনুপ কুমার বিশ্বাসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন আইন অনুষদের অ্যাডজাঙ্কট ডিন প্রফেসর মোহাম্মদ মোরশেদ মাহমুদ খান এবং আইন অনুষদের সহকারী ডিন জনাব তানজিনা আলম চৌধুরী।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন আইন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের অভিযোগ কমিটির আহ্বায়ক ড. মেহের নিগার। এছাড়া বক্তব্য দেন আইন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক জনাব ফরিদ উদ্দিন আহমেদ। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন এলএলএম ৪২তম ব্যাচের পরামর্শক ও আইন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক জনাব হিল্লোল সাহা।
অনুষ্ঠানে আইন বিভাগের সম্মানিত শিক্ষকবৃন্দ এবং বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি (অনার্স) সম্পন্ন করে প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির এলএলএম প্রোগ্রামে ভর্তি হওয়া নবাগত শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক এস. এম. নছরুল কদির নবাগত শিক্ষার্থীদের প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটিতে স্বাগত ও অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, আইন বিভাগে অভিজ্ঞ, জ্ঞানসমৃদ্ধ ও প্রতিষ্ঠিত শিক্ষক এবং পেশাজীবীদের উপস্থিতি বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য গর্বের বিষয়। তাঁদের জ্ঞান, অভিজ্ঞতা ও অবদানের ফলে আইন বিভাগ একটি উচ্চ মর্যাদায় পৌঁছেছে।
উপাচার্য বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনের সময় আইন বিভাগের ভর্তি পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন ধরনের অনুরোধ ও চাপের মুখোমুখি হতে হয়। তবে শিক্ষার গুণগত মানের সঙ্গে কোনো আপস না করে মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে শিক্ষার্থী ভর্তি নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হয়। এ ক্ষেত্রে আইন বিভাগের শিক্ষকরা গুরুত্বপূর্ণ সহযোগিতা করে আসছেন।
বক্তব্যের শেষাংশে উপাচার্য ব্যবসায়িক কৌশলের উদাহরণ তুলে ধরে ব্যয়-সাশ্রয়ী নেতৃত্ব ও স্বাতন্ত্র্যকরণ কৌশলের বিষয়টি ব্যাখ্যা করেন। তিনি বলেন, সবাইকে সন্তুষ্ট করার চেষ্টা না করে নিজস্ব মান, গুণগত বৈশিষ্ট্য ও স্বাতন্ত্র্য তৈরি করে এগিয়ে যেতে হবে। শিক্ষার্থীদেরও নিজেদের দক্ষতা ও স্বাতন্ত্র্য বিকাশের মাধ্যমে ভবিষ্যৎ পেশাগত জীবনে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।