প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটিতে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন
মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, শনিবার, প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির উদ্যোগে যথাযোগ্য মর্যাদা, গভীর শ্রদ্ধা ও ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে দিবসটি উদযাপিত হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের জিইসি মোড়স্থ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে মহান ভাষা আন্দোলনের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক এস. এম. নছরুল কদির-এর নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় ট্রেজারার প্রফেসর ড. জাহেদ হোছাইন সিকদার, রেজিস্ট্রার জনাব মোহাম্মদ ইফতেখার মনির, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, সহযোগী ডিন, সহকারী ডিন, শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।
পুষ্পস্তবক অর্পণের পূর্বে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক এস. এম. নছরুল কদির বলেন, ১৯৪৭ সালের ১৪ আগস্ট পাকিস্তান রাষ্ট্রের অভ্যুদয়ের পরপর বাংলা ভাষা ষড়যন্ত্র কবলিত হলে শুরু হয় ভাষা আন্দোলন। মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ উর্দুই হবে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা ঘোষণা করলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ‘না না’ বলে চিৎকার করে ওঠে ও ভাষা আন্দোলন আরও জোরদার হয়। ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি তা চূড়ান্ত পরিণতি লাভ করে। ফলে ১৯৫৬ সালে উর্দুর পাশাপাশি বাংলা ভাষাও সাংবিধানিক স্বীকৃতি অর্জন করে।
তিনি আরও বলেন, ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের বীর শহীদরা মাতৃভাষার মর্যাদা প্রতিষ্ঠার জন্য যে-আত্মত্যাগ করেছেন, তা শুধু বাংলাদেশের ইতিহাসেই নয়, বিশ্ব ইতিহাসেও এক অনন্য দৃষ্টান্ত। এই আত্মত্যাগ, এই ভাষা আন্দোলনের চেতনা আমাদের জাতীয় জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে প্রেরণার উৎস হিসেবে কাজ করছে। ১৯৬৯-এর গণ আন্দোলন, স্বাধীনতার সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধ, ২০২৪-এর ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের বীজও নিহিত রয়েছে এই মহান আন্দোলনের মধ্যেই।
তিনি সর্বস্তরে বাংলা ভাষা চালু করা মধ্য দিয়ে ভাষাশহীদদের আত্মত্যাগের উপযুক্ত মূল্যায়ন হবে বলে মন্তব্য করেন।
মাননীয় ট্রেজারার প্রফেসর ড. জাহেদ হোছাইন সিকদার মহান ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস বর্ণনা করে বলেন, প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীদের ভাষা আন্দোলনের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশপ্রেম, মানবিকতা ও সাংস্কৃতিক মূল্যবোধে সমৃদ্ধ নাগরিক হিসেবে গড়ে ওঠতে হবে এবং প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটিকে এগিয়ে নিতে হবে।
রেজিস্ট্রার জনাব মোহাম্মদ ইফতেখার মনির তাঁর বক্তব্যে বলেন, মাতৃভাষার প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা ধারণ করে শিক্ষা, গবেষণা এবং প্রশাসনিক কার্যক্রমে বাংলা ভাষার চর্চা আরও সম্প্রসারণ করা প্রয়োজন।
পুষ্পস্তবক অর্পণকালে উপস্থিত ছিলেন কলা অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মোহীত উল আলম, ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের প্রফেসর অমল ভূষণ নাগ, প্রকৌশল অনুষদের প্রফেসর ড. মিহির কুমার রায়, প্রকৌশল অনুষদের সহযোগী ডিন প্রফেসর ড. সাহীদ মো. আসিফ ইকবাল, আইন অনুষদের সহকারী ডিন জনাব তানজিনা আলম চৌধুরী, সমাজবিজ্ঞান অনুষদের সহকারী ডিন ফারজানা ইয়াসমিন চৌধুরী, প্রক্টর মোহাম্মদ সোলাইমান চৌধুরী, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক শেখ মুহম্মদ ইব্রাহিম, ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্স অফিসের ডিরেক্টর জনাব সাদাত জামান খান, ছাত্রকল্যাণ উপদেষ্টা ড. আবদুর রহিম, ইইই বিভাগের চেয়ারম্যান জনাব টুটন চন্দ্র মল্লিক, গণিত বিভাগের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ড. হারাধন কুমার মহাজন, স্থাপত্য বিভাগের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব হোসেন মুরাদ, ইংরেজি বিভাগের চেয়ারম্যান জনাব সৈয়দ জসিম উদ্দিন, পাবলিক হেলথ বিভাগের চেয়ারম্যান ড. মো. জাহেদুল ইসলাম, অর্থনীতি বিভাগের কো-অর্ডিনেটর জনাব বদরুল হাসান আউয়াল, সমাজতত্ত্ব ও টেকসই উন্নয়ন বিভাগের কো-অর্ডিনেটর জনাব আবদুল্লাহ আল মোজাহিদ, ম্যানেজমেন্ট ডিসিপ্লিনের কো-অর্ডিনেটর জনাব তাসনিম সুলতানা, ফিন্যান্স ডিসিপ্লিনের কো-অর্ডিনেটর জনাব রাজীব দত্ত, অ্যাকাউন্টিং ডিসিপ্লিনের কো-অর্ডিনেটর ড. আহসান উদ্দিন, ফ্যাশন ডিজাইন এন্ড টেকনোলজি বিভাগের কো-অর্ডিনেটর জনাব কুহেলী চৌধুরীসহ প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যবৃন্দ।
Related News
Day-long Workshop Organized by IQAC to Enhance Staff Skills at Premier University.
প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটিতে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন
মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, শনিবার, প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির উদ্যোগে যথাযোগ্য মর্যাদা, গভীর শ্রদ্ধা ও ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে দিবসটি উদযাপিত হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের জিইসি মোড়স্থ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে মহান ভাষা আন্দোলনের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক এস. এম. নছরুল কদির-এর নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় ট্রেজারার প্রফেসর ড. জাহেদ হোছাইন সিকদার, রেজিস্ট্রার জনাব মোহাম্মদ ইফতেখার মনির, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, সহযোগী ডিন, সহকারী ডিন, শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।
পুষ্পস্তবক অর্পণের পূর্বে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক এস. এম. নছরুল কদির বলেন, ১৯৪৭ সালের ১৪ আগস্ট পাকিস্তান রাষ্ট্রের অভ্যুদয়ের পরপর বাংলা ভাষা ষড়যন্ত্র কবলিত হলে শুরু হয় ভাষা আন্দোলন। মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ উর্দুই হবে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা ঘোষণা করলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ‘না না’ বলে চিৎকার করে ওঠে ও ভাষা আন্দোলন আরও জোরদার হয়। ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি তা চূড়ান্ত পরিণতি লাভ করে। ফলে ১৯৫৬ সালে উর্দুর পাশাপাশি বাংলা ভাষাও সাংবিধানিক স্বীকৃতি অর্জন করে।
তিনি আরও বলেন, ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের বীর শহীদরা মাতৃভাষার মর্যাদা প্রতিষ্ঠার জন্য যে-আত্মত্যাগ করেছেন, তা শুধু বাংলাদেশের ইতিহাসেই নয়, বিশ্ব ইতিহাসেও এক অনন্য দৃষ্টান্ত। এই আত্মত্যাগ, এই ভাষা আন্দোলনের চেতনা আমাদের জাতীয় জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে প্রেরণার উৎস হিসেবে কাজ করছে। ১৯৬৯-এর গণ আন্দোলন, স্বাধীনতার সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধ, ২০২৪-এর ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের বীজও নিহিত রয়েছে এই মহান আন্দোলনের মধ্যেই।
তিনি সর্বস্তরে বাংলা ভাষা চালু করা মধ্য দিয়ে ভাষাশহীদদের আত্মত্যাগের উপযুক্ত মূল্যায়ন হবে বলে মন্তব্য করেন।
মাননীয় ট্রেজারার প্রফেসর ড. জাহেদ হোছাইন সিকদার মহান ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস বর্ণনা করে বলেন, প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীদের ভাষা আন্দোলনের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশপ্রেম, মানবিকতা ও সাংস্কৃতিক মূল্যবোধে সমৃদ্ধ নাগরিক হিসেবে গড়ে ওঠতে হবে এবং প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটিকে এগিয়ে নিতে হবে।
রেজিস্ট্রার জনাব মোহাম্মদ ইফতেখার মনির তাঁর বক্তব্যে বলেন, মাতৃভাষার প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা ধারণ করে শিক্ষা, গবেষণা এবং প্রশাসনিক কার্যক্রমে বাংলা ভাষার চর্চা আরও সম্প্রসারণ করা প্রয়োজন।
পুষ্পস্তবক অর্পণকালে উপস্থিত ছিলেন কলা অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মোহীত উল আলম, ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের প্রফেসর অমল ভূষণ নাগ, প্রকৌশল অনুষদের প্রফেসর ড. মিহির কুমার রায়, প্রকৌশল অনুষদের সহযোগী ডিন প্রফেসর ড. সাহীদ মো. আসিফ ইকবাল, আইন অনুষদের সহকারী ডিন জনাব তানজিনা আলম চৌধুরী, সমাজবিজ্ঞান অনুষদের সহকারী ডিন ফারজানা ইয়াসমিন চৌধুরী, প্রক্টর মোহাম্মদ সোলাইমান চৌধুরী, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক শেখ মুহম্মদ ইব্রাহিম, ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্স অফিসের ডিরেক্টর জনাব সাদাত জামান খান, ছাত্রকল্যাণ উপদেষ্টা ড. আবদুর রহিম, ইইই বিভাগের চেয়ারম্যান জনাব টুটন চন্দ্র মল্লিক, গণিত বিভাগের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ড. হারাধন কুমার মহাজন, স্থাপত্য বিভাগের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব হোসেন মুরাদ, ইংরেজি বিভাগের চেয়ারম্যান জনাব সৈয়দ জসিম উদ্দিন, পাবলিক হেলথ বিভাগের চেয়ারম্যান ড. মো. জাহেদুল ইসলাম, অর্থনীতি বিভাগের কো-অর্ডিনেটর জনাব বদরুল হাসান আউয়াল, সমাজতত্ত্ব ও টেকসই উন্নয়ন বিভাগের কো-অর্ডিনেটর জনাব আবদুল্লাহ আল মোজাহিদ, ম্যানেজমেন্ট ডিসিপ্লিনের কো-অর্ডিনেটর জনাব তাসনিম সুলতানা, ফিন্যান্স ডিসিপ্লিনের কো-অর্ডিনেটর জনাব রাজীব দত্ত, অ্যাকাউন্টিং ডিসিপ্লিনের কো-অর্ডিনেটর ড. আহসান উদ্দিন, ফ্যাশন ডিজাইন এন্ড টেকনোলজি বিভাগের কো-অর্ডিনেটর জনাব কুহেলী চৌধুরীসহ প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যবৃন্দ।