প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির ইংরেজি বিভাগে ‘ড্রামা ফেস্ট: ফ্রম পেজ টু স্টেজ’ অনুষ্ঠিত ।
প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির জিইসি মোড়স্থ ক্যাম্পাসে ইংরেজি বিভাগের ৪২তম ব্যাচের শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে ১৫ জানুয়ারি ২০২৬ (বৃহস্পতিবার) দিনব্যাপী এক উৎসবমুখর পরিবেশে ‘ড্রামা ফেস্ট ফল ২০২৫’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ‘ফ্রম পেজ টু স্টেজ’ প্রতিপাদ্য নিয়ে আয়োজিত হয় এই উৎসব। একাডেমিক কোর্সওয়ার্কের অংশ হিসেবে আয়োজিত এই নাট্য উৎসবে শিক্ষার্থীরা বিশ্বসাহিত্যের কালজয়ী সব নাটক মঞ্চস্থ করেন। প্রদর্শিত নাটকগুলোর মধ্যে ছিল উইলিয়াম শেক্সপিয়রের ‘দ্য মার্চেন্ট অফ ভেনিস’ (এর দুটি পৃথক দৃশ্যায়ন—কাস্কেট সিন ও ট্রায়াল সিন) ও ‘আ মিডসামার নাইটস ড্রিম’, জর্জ বার্নার্ড শ-এর ‘আর্মস অ্যান্ড দ্য ম্যান’ (দ্বিতীয় অঙ্ক), এডমন্ড রোস্ট্যান্ডের ‘দ্য রোমান্সার্স’ এবং ফ্রিৎজ কারিন্থির ব্যাঙ্গাত্মক নাটক ‘দ্য রিফান্ড’।
উৎসবের উদ্বোধনী অধিবেশনে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর এস. এম. নছরুল কদির। তিনি তাঁর বক্তব্যে ইংরেজি বিভাগের সহশিক্ষা কার্যক্রমের বিশেষ প্রশংসা করে বলেন যে, একজন শিক্ষার্থীর পূর্ণাঙ্গ বিকাশে কেবল পুঁথিগত বিদ্যা যথেষ্ট নয়, বরং সংস্কৃতির চর্চাও অপরিহার্য। তিনি উল্লেখ করেন, নাটক মূলত জীবনেরই প্রতিচ্ছবি এবং শেক্সপিয়র বা বার্নার্ড শ-এর মতো নাট্যকারদের কালজয়ী সৃষ্টির মঞ্চায়নের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা বৈশ্বিক সংস্কৃতির সাথে নিজেদের সংযোগ স্থাপন করতে পারছে, যা তাদের আত্মবিশ্বাস ও সৃজনশীল চিন্তার বিকাশে সহায়ক হবে।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ইফতেখার মনির উপাচার্যের সুর প্রতিধ্বনিত করে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ শিক্ষার্থীদের মেধা ও সৃজনশীলতা বিকাশে সবসময়ই একটি সুন্দর পরিবেশ নিশ্চিত করতে সচেষ্ট। তিনি শিক্ষার্থীদের এই চমৎকার উপস্থাপনার প্রশংসা করে বলেন, পড়াশোনার পাশাপাশি শিল্প-সংস্কৃতিতে পারদর্শী হওয়া তাদের কার্যকর যোগাযোগ দক্ষতা ও উপস্থিত বুদ্ধি বৃদ্ধিতে বিশেষ ভূমিকা রাখবে।
বিভাগের চেয়ারম্যান সহযোগী অধ্যাপক সৈয়দ জসীম উদ্দীন এই আয়োজন সফল করতে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের অকুন্ঠ সহযোগিতার কথা কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ করেন এবং মাননীয় উপাচার্য ও রেজিস্ট্রারকে বিশেষ ধন্যবাদ জানান। তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, থিয়েটার বা নাট্যচর্চা মূলত একটি দলীয় প্রচেষ্টার ফসল। এ ধরনের আয়োজন শিক্ষার্থীদের মধ্যে কেবল বিনোদনই দেয় না, বরং তাদের মধ্যে পারস্পরিক ভ্রাতৃত্ব ও গভীর বন্ধন তৈরি করে। তিনি আরও যোগ করেন, এই ড্রামা ফেস্ট তাত্ত্বিক জ্ঞানের সাথে ব্যবহারিক প্রয়োগের এক অনন্য সেতুবন্ধন তৈরি করেছে এবং এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা একতা ও নেতৃত্বের বিশেষ গুণাবলী অর্জন করেছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর সহযোগী অধ্যাপক মোহাম্মদ সোলাইমান চৌধুরী অনুষ্ঠান চলাকালীন শিক্ষার্থীদের শৃঙ্খলার ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং উৎসবের সাফল্যে সন্তোষ প্রকাশ করেন। পুরো আয়োজনটি ইংরেজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক শান্তনু দাশের সরাসরি নির্দেশনা ও তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয়। কোর্স ইনস্ট্রাক্টর হিসেবে তিনি শিক্ষার্থীদের কঠোর পরিশ্রম ও একাগ্রতার প্রশংসা করে বলেন, শ্রেণিকক্ষে অর্জিত জ্ঞানকে মঞ্চে বাস্তব রূপ দান করার এই অভিজ্ঞতা শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবনকে আরও অর্থবহ করে তুলবে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিতে নাটকগুলো মঞ্চস্থ হয় এবং দর্শকদের করতালিতে অনুষ্ঠানস্থল মুখরিত হয়ে ওঠে।
Related News
প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির ইংরেজি বিভাগে ‘ড্রামা ফেস্ট: ফ্রম পেজ টু স্টেজ’ অনুষ্ঠিত ।
প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির ইংরেজি বিভাগে ‘ড্রামা ফেস্ট: ফ্রম পেজ টু স্টেজ’ অনুষ্ঠিত ।
প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির জিইসি মোড়স্থ ক্যাম্পাসে ইংরেজি বিভাগের ৪২তম ব্যাচের শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে ১৫ জানুয়ারি ২০২৬ (বৃহস্পতিবার) দিনব্যাপী এক উৎসবমুখর পরিবেশে ‘ড্রামা ফেস্ট ফল ২০২৫’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ‘ফ্রম পেজ টু স্টেজ’ প্রতিপাদ্য নিয়ে আয়োজিত হয় এই উৎসব। একাডেমিক কোর্সওয়ার্কের অংশ হিসেবে আয়োজিত এই নাট্য উৎসবে শিক্ষার্থীরা বিশ্বসাহিত্যের কালজয়ী সব নাটক মঞ্চস্থ করেন। প্রদর্শিত নাটকগুলোর মধ্যে ছিল উইলিয়াম শেক্সপিয়রের ‘দ্য মার্চেন্ট অফ ভেনিস’ (এর দুটি পৃথক দৃশ্যায়ন—কাস্কেট সিন ও ট্রায়াল সিন) ও ‘আ মিডসামার নাইটস ড্রিম’, জর্জ বার্নার্ড শ-এর ‘আর্মস অ্যান্ড দ্য ম্যান’ (দ্বিতীয় অঙ্ক), এডমন্ড রোস্ট্যান্ডের ‘দ্য রোমান্সার্স’ এবং ফ্রিৎজ কারিন্থির ব্যাঙ্গাত্মক নাটক ‘দ্য রিফান্ড’।
উৎসবের উদ্বোধনী অধিবেশনে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর এস. এম. নছরুল কদির। তিনি তাঁর বক্তব্যে ইংরেজি বিভাগের সহশিক্ষা কার্যক্রমের বিশেষ প্রশংসা করে বলেন যে, একজন শিক্ষার্থীর পূর্ণাঙ্গ বিকাশে কেবল পুঁথিগত বিদ্যা যথেষ্ট নয়, বরং সংস্কৃতির চর্চাও অপরিহার্য। তিনি উল্লেখ করেন, নাটক মূলত জীবনেরই প্রতিচ্ছবি এবং শেক্সপিয়র বা বার্নার্ড শ-এর মতো নাট্যকারদের কালজয়ী সৃষ্টির মঞ্চায়নের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা বৈশ্বিক সংস্কৃতির সাথে নিজেদের সংযোগ স্থাপন করতে পারছে, যা তাদের আত্মবিশ্বাস ও সৃজনশীল চিন্তার বিকাশে সহায়ক হবে।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ইফতেখার মনির উপাচার্যের সুর প্রতিধ্বনিত করে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ শিক্ষার্থীদের মেধা ও সৃজনশীলতা বিকাশে সবসময়ই একটি সুন্দর পরিবেশ নিশ্চিত করতে সচেষ্ট। তিনি শিক্ষার্থীদের এই চমৎকার উপস্থাপনার প্রশংসা করে বলেন, পড়াশোনার পাশাপাশি শিল্প-সংস্কৃতিতে পারদর্শী হওয়া তাদের কার্যকর যোগাযোগ দক্ষতা ও উপস্থিত বুদ্ধি বৃদ্ধিতে বিশেষ ভূমিকা রাখবে।
বিভাগের চেয়ারম্যান সহযোগী অধ্যাপক সৈয়দ জসীম উদ্দীন এই আয়োজন সফল করতে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের অকুন্ঠ সহযোগিতার কথা কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ করেন এবং মাননীয় উপাচার্য ও রেজিস্ট্রারকে বিশেষ ধন্যবাদ জানান। তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, থিয়েটার বা নাট্যচর্চা মূলত একটি দলীয় প্রচেষ্টার ফসল। এ ধরনের আয়োজন শিক্ষার্থীদের মধ্যে কেবল বিনোদনই দেয় না, বরং তাদের মধ্যে পারস্পরিক ভ্রাতৃত্ব ও গভীর বন্ধন তৈরি করে। তিনি আরও যোগ করেন, এই ড্রামা ফেস্ট তাত্ত্বিক জ্ঞানের সাথে ব্যবহারিক প্রয়োগের এক অনন্য সেতুবন্ধন তৈরি করেছে এবং এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা একতা ও নেতৃত্বের বিশেষ গুণাবলী অর্জন করেছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর সহযোগী অধ্যাপক মোহাম্মদ সোলাইমান চৌধুরী অনুষ্ঠান চলাকালীন শিক্ষার্থীদের শৃঙ্খলার ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং উৎসবের সাফল্যে সন্তোষ প্রকাশ করেন। পুরো আয়োজনটি ইংরেজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক শান্তনু দাশের সরাসরি নির্দেশনা ও তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয়। কোর্স ইনস্ট্রাক্টর হিসেবে তিনি শিক্ষার্থীদের কঠোর পরিশ্রম ও একাগ্রতার প্রশংসা করে বলেন, শ্রেণিকক্ষে অর্জিত জ্ঞানকে মঞ্চে বাস্তব রূপ দান করার এই অভিজ্ঞতা শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবনকে আরও অর্থবহ করে তুলবে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিতে নাটকগুলো মঞ্চস্থ হয় এবং দর্শকদের করতালিতে অনুষ্ঠানস্থল মুখরিত হয়ে ওঠে।